দিল্লি হাইকোর্টের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনায় মদত দিয়েছিল পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন. বিস্ফোরণের মূল ষড়যন্ত্রী ওয়াসিম মালিক জেরায় এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি করেছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের. বিস্ফোরণের জন্য আইইডি-ও পাকিস্তান থেকে এসেছিল বলে জানিয়েছে সে.

পুলিশি হেফাজতে জেরার মুখে দিল্লি বিস্ফোরণ সংক্রান্ত নানা তথ্য উগড়ে দিয়েছে ওয়াসিম. আর তা থেকেই জানা গিয়েছে, রাজধানীর হাইকোর্ট চত্বরে বিস্ফোরণের পেছনে প্রত্যক্ষ মদত ছিল হিজবুলের. ভাই জুনেদের সাহায্যে হিজবুল কম্যান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওয়াসিম. বিস্ফোরণের চক্রান্তের কথা পৌঁছয় হিজবুল প্রধান সৈয়দ সালাউদ্দিনের কাছে.   সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যায় সালাউদ্দিন. দুই পাক জঙ্গিকে ভারতে পাঠিয়ে দেয় সে. আইইডি নিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে আসে দুই জঙ্গি. দিল্লি হাইকোর্টের বাইরে বোমা রাখার দায়িত্ব পড়ে তিনজনের ওপর. গোটা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল ১০জন. মূল চক্রী ছিল ওয়াসিম. বেশি সংখ্যক আইনজীবীদের হত্যার উদ্দেশ্যেই হাইকোর্টের ৫ নম্বর গেটের বাইরে বোমা রাখা হয়েছিল. জুন মাসে তিনবার হাইকোর্ট এলাকা ঘুরে দেখে ওয়াসিম.
সংসদ হামলায় দোষী সাব্যস্ত আফজল গুরুর ফাঁসির পিছনে আইনজীবীরা প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে মনে করত ওয়াসিম. তাই সে এই চক্রান্ত করে.
আরও জানা গিয়েছে, ২০০৫ সালে জৈশ-ই-মহম্মদের এক সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে ধরা পড়েছিল ওয়াসিম. কিন্তু নাবালক হওয়ায় তখন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল. হাইকোর্টে বিস্ফোরণ মামলায় তিন সন্ত্রাসবাদীর জন্য ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে এনআইএ.