যুবরাজের এখনই রাজ্যাভিষেকের কোনও প্রয়োজন নেই. সংসদে অণ্ণা হজারের বিরুদ্ধে পালটা আক্রমণ শানানো রাহুল গাঁধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে এমন মতামতই জানিয়ে দিলেন দেশের চার প্রান্তের অধিকাংশ বাসিন্দা. উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে চালানো স্টার আনন্দ-নিয়েলসেনের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ৫৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এটা রাহুলের দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঠিক সময় নয়. এমনকী সনিয়া-পুত্র যদি অণ্ণার বিরুদ্ধে ভোটযুদ্ধে মোকাবিলা করেন, তাহলে তো তাঁকে গোহারা হারতে হবে. কারণ সমীক্ষা মোতাবেক, ৭৮ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন প্রবীণ গাঁধীবাদীকে. সেখানে রাহুল পাবেন মাত্র ১৭ শতাংশ ভোট. ১৮-২৫ বছরের মধ্যে থাকা তরুণ-তরুণীরাও রাহুলের পরিবর্তে ৭৪ বছরে এক প্রবীণ গাঁধীবাদীকেই বেছে নিয়েছেন. 
কয়েকদিন আগেই অণ্ণার অনশন পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে লেজগোবরে হয়েছে মনমোহন সিংহ সরকার. তবে ওই পরিস্থতির জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ নিজে দায়ী নন বলে মনে করেন সমীক্ষার আওতাধীন ৬৪ শতাংশ উত্তরদাতা. এঁদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের সিনিয়র মন্ত্রীরাই পরিস্থিতি সামলাতে পারেননি. তবে সনিয়া গাঁধী দেশে থাকলেও ইউপিএ সরকারের এই অণ্ণা-ধাক্কা খেতে হত বলে মনে করেন ৫৪ শতাংশ মানুষ. এই হারেরও বেশি মনে করেন, কংগ্রেস পরিস্থিতির হাল ধরতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ.
সমীক্ষায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে. যেমন দেশের নতুন 'ইয়ুথ আইকন' এখন টিম অণ্ণার অন্যতম প্রধান সেনাপতি অরবিন্দ কেজরিওয়াল. খড়গপুর আইআইটি-র প্রাক্তন এই ছাত্র, ম্যাগসাইসাই প্রাপ্ত কেজরিকেই নতুন হিরো হিসেবে বেছে নিয়েছেন ৫৮ শতাংশ উত্তরদাতা. তাঁরা এও বলেছেন, প্রয়োজনে অরবিন্দকে ভোটও দেবেন. সেখানে চিদম্বরমের পক্ষে এই হার হয়েছে ২৪ শতাংশ. আবার ৭৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা কিরণ বেদীকে ভোট দেবেন. সেখানে কপিল সিব্বলের পক্ষে এই হার মাত্র ১৪ শতাংশ.
অরবিন্দকে যুব সম্প্রদায়ের নয়া প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন ৬২ শতাংশ
উত্তরদাতা. উত্তর ভারতে এই হার ৭৫ শতাংশ. আয়করের নোটিসে কিছুটা সমস্যায়
পড়া কেজরিওয়াল এই তথ্যে নিশ্চয় আরও অক্সিজেন পাবেন?







