বনধ বিরোধিতার নামে কোচবিহারে তৃণমূলে দাদাগিরি৷ এসইউসি সমর্থকদের রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ৷ বীরভূম বনধ ব্যর্থ করতে তাণ্ডব চালানোয় অভিযুক্ত সেই তৃণমূলই৷যদিও বৃহস্পতিবার বিকেলে মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বনধ মোকাবিলায় তাঁরা পেশিশক্তি প্রয়োগ করেননি৷ চাইলে সমর্থকদের রাস্তায় নামিয়ে তাঁরা বনধ মোকাবিলা করতে পারতেন৷
কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর করে ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ তুললেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু৷

তবে, একদিকে যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, তাঁরা সমর্থকদের নামিয়ে জোর করে ধর্মঘটের মোকাবিলা করেননি, সেখানে তাঁরই শরিক দল কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য আবার অভিযোগ তুলছেন, ধর্মঘট মোকাবিলায় সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়নি৷
বনধের আগে থেকেই যে তরজার সূত্রপাত, বনধের পরেও তা অব্যাহত৷ এবার সেই জল কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল৷







